Wednesday, February 9, 2022

ব্যাকলিংক কি? (What are Backlinks)

 🔗ব্যাকলিংক কি? (What are Backlinks)


📎ব্যাকলিংক হলো অন্য কোন Website এর সাথে আপনার Website এর Connection। অর্থাৎ, কোন ভিজিটর অন্য কোন ওয়েবসাইটে যখন কোন আর্টিকেল পড়ছে বা কোন কিছু দেখছে সেখানে কোন লিংক যেখানে Click করলে সেটা আপনার ওয়েবসাইট কে নিয়ে আসে। অর্থাৎ, Click করার সাথে সাথেই ওই ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে চলে আসে। সেটা আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একটা ব্যাকলিংক।


📌যে Website এর Backlink যত বেশি সে Website তত তাড়াতাড়ি Ranking করবে। একটা ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক যদি 500 হয়। এবং আরেকটা ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক যদি 200 হয়। তাহলে automatically 500 যে ওয়েবসাইট এর ব্যাকলিংক রয়েছে সে ওয়েবসাইটটি Google এর কাছে বেশি 

Powerful।


📌Google search engine থেকে ব্লগ বা ওয়েব সাইটে প্রচুর ফ্রী ট্রাফিক ও ভিজিটর্স পেতে হলে অবশ্যই ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।


📌ব্যাকলিংক, Off page SEO র একটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এর দ্বারা নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইটের Search engine ranking অনেক বেশি ভালো করে নিতে পারবেন।


📌কারণ, ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি ব্যাকলিংক যত বেশি বাড়বে, ব্লগের Domain authority ও ততটাই ভালো হবে।


📌আর আপনার ওয়েবসাইটের Domain authority যত বেশি ভালো হবে, ততবেশি Google আপনার লেখা আর্টিকেল গুলি তার Search result এ ভালো জায়গায় Rank করবে।


📌এতে আপনার ব্লগে Google থেকে আসা ট্রাফিকের পরিমাণ বাড়তে থাকবে।


📌ব্লগিং এ সফলতা পাওয়ার জন্য, ব্লগে সার্চ ইঞ্জিন থেকে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক বা ভিজিটার্স আসতে হবে।


📌ওয়েবসাইটের Domain authority (DA) অধিক ভালো থাকা মানে, Google এর নজরে সেই ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি অনেক ভালো এবং Search result এ তার Importance অনেক।


📌Google search engine থেকে নিজের Website এ রেগুলার ট্রাফিক পাওয়ার জন্য কিন্তু প্রথম থেকেই ব্যাকলিংক তৈরি করতে থাকতে হবে। আর এই ব্যাকলিংক তৈরীর প্রক্রিয়া সবসময় চালিয়ে যেতে হবে।


আরো সহজ ভাবে বললে, ব্যাকলিংক🔗 মানে হল, আপনার ওয়েবসাইটের "URL লিংক" অন্য একটি ওয়েবসাইটে থাকা এবং এভাবে সেই ওয়েবসাইট থেকে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একটি External link🔗 পাওয়া।


🔗ব্যাকলিংক কত প্রকার? (Types of Backlinks)


🖇️Internal links: ইন্টারনাল লিংক হলো নিজের ব্লগ এর ভেতরেই থাকা ব্যাকলিংক। অর্থাৎ, আমরা যখন ব্লগে আর্টিকেল লিখি, তখন নিজের ব্লগের অন্য আর্টিকেলের লিংক Add করে দেই। সেটাই Internal backlinks।


🖇️External links: এই ধরনের ব্যাকলিংক অন্যদের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে বানাতে হয়। অর্থাৎ, অন্য ওয়েবসাইট থেকে আমাদের ওয়েবসাইটে আশা লিংক।


🖇️🥤Link juice: অন্যের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে Hyper link এর মাধ্যমে যখন ব্যাকলিংক তৈরি করা হয়, তখন Google bots সেইলিং গুলি Follow করে আপনার ব্লগে Link juice পাস করে। এই Link juice আপনার ব্লগের Domain authority বাড়িয়ে Search engine traffic বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।


🖇️Low-quality links: যখন খারাপ, Spam,Low quality বা Harvested website থেকে আপনার ওয়েব সাইটের ব্যাকলিংক আসে তখন Low quality links তৈরি হয়। এই ধরনের ব্যাকলিংক ব্লগের জন্য অনেক ক্ষতিকারক।


🖇️High-quality links: যখন কোনো ভালো এবং High quality website যার DA এবং PA অনেক ভালো, তার থেকে ব্যাকলিংক আসে, তখন সেই ব্যাকলিংক High quality external link।


🖇️No-follow links: যখন অন্যদের ওয়েবসাইট থেকে আসা ব্যাকলিংক গুলিতে "rel=no-follow" ট্যাগ ব্যবহার করা থাকে তখন সেই ব্যাকলিংক গুলি No-follow Backlink। এই ধরনের লিংকের মাধ্যমে Google bots তাদের Link juice 🔗🥤 পাস করে না। তাই এই ধরনের ব্যাকলিংক বিশেষ কাজের না।


🖇️Do-follow links: যখন অন্য ওয়েবসাইট থেকে আসা লিঙ্কগুলিতে "rel=nofollow" ট্যাগ ব্যবহার করা হয় না, তখন সেই লিঙ্কগুলি Do-follow লিংক। এই ধরনের লিংকের মাধ্যমে Google তার Link juice 🔗🥤 পাস করে। তাই এই ধরনের ব্যাকলিংক ব্লগের জন্য অনেক কাজের।


ব্যাকলিংক তৈরি করার নিয়ম অনেক রয়েছে। কিন্তু, ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক বানানোর সময় অনেক জিনিসের ওপর অবশ্যই দিতে হবে। যেমন:


✅যেকোনো Low quality ও Low domain authority থাকা Website থেকে Backlink নেওয়া যাবে না।


✅সবসময় High quality এবং High domain authority থাকা Website গুলির থেকে নিতে হবে।


❌একসাথে অধিক পরিমাণে ব্যাকলিংক তৈরী করা যাবে না। এতে Google আপনার ব্লগকে Spam হিসেবে ধরে নিতে পারে।

এতে আপনার Google search এর Ranking অনেক বেশি কমে যাবে এবং Google আপনার Website চিরকালের জন্য নিজের সার্চ থেকে সরিয়ে দিতে পারে।


✅তাই, সব সময় ভালো Domain authority থাকা High quality এবং Clean ওয়েবসাইট থেকেই ব্যাকলিংক বানানোর চেষ্টা করতে হবে।


✅আরো একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে, সেটা হলো, Related website থেকে Backlink🔗 নিতে হবে।


https://skillart566.blogspot.com/2022/02/blog-post_2.html


Tuesday, February 8, 2022

যোগাযোগ (Communication)

 📠যোগাযোগ (Communication)


যোগাযোগ হল উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য পরস্পরের মধ্যে কোন বিষয়ে ভাব, ধারণা, মতামত, তথ্য, নির্দেশনা ইত্যাদির বিনিময়।


ইংরেজি Communication শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ হলো যোগাযোগ।


👥যখন দু'জন বা তার বেশি লোক পরস্পর কথা বলে তখন তাকে যোগাযোগ বলে।🗣️ যোগাযোগ হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আমরা আমাদের চিন্তা, অনুভূতি, অভিজ্ঞতা, ধারণা ইত্যাদি একে অপরের সাথে আদান-প্রদান করি। তাই সাধারণত অন্য কারো সাথে যোগাযোগ করার পূর্বে আমরা কিভাবে কথা বলব, কি বলবো, কখন বলবো, যোগাযোগের সময় কি ধরনের মাধ্যম ব্যবহার করা উচিত, কিভাবে এটিকে ফলপ্রসূ করা যায়, এর বিপরীতে কি ধরনের প্রতিক্রিয়া (Feedback) দেখতে হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে চিন্তিত থাকি। ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির সাথে আমরা ভিন্নভাবে যোগাযোগ করে থাকি। যোগাযোগ প্রক্রিয়া ও ভিন্ন হয়।


💬নিউ ম্যান ও সামার - এর মতে যোগাযোগ হচ্ছে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে তথ্য, ভাব, অভিমত বা আবেগ-অনুভূতির বিনিময়।


💬কুঞ্জ এবং উইরিখের মতে, যোগাযোগ হল প্রেরকের নিকট থেকে প্রাপকের নিকট তথ্য স্থানান্তর, যে তথ্য দ্বারা প্রাপক কোন কিছু অবগত হতে পারে। এখানে শুধু তথ্যের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।


💬আমেরিকান ব্যবস্থাপনা সমিতি যোগাযোগের নিম্মোক্ত সংজ্ঞা দিয়েছে: যোগাযোগ বলতে এমন সব আচরণই আমরা বুঝে থাকি যা কোন অর্থ বা ভাবের বিনিময় ঘটায়। এ সংজ্ঞাটি অনেক ব্যাপক। কেননা এটিতে আচরণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।


📬বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য একজনের নিকট থেকে অন্যজনের নিকট তথ্য, ভাব, ধারণা, সংবাদ বা মতামত প্রেরণের প্রক্রিয়ায় হল যোগাযোগ। এটি মৌখিক হতে পারে, লিখিত হতে পারে, আকার-ইঙ্গিতে হতে পারে আবার প্রযুক্তির মাধ্যমে ও হতে পারে।


💸ব্যবসার উদ্দেশ্যে অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট পক্ষের ব্যক্তিদের ভাব, ধারণা ও তথ্যের বিভিন্ন প্রকার আদান প্রদানকে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বলে। ব্যবসার সফলতা সুষ্ঠু যোগাযোগের উপরই নির্ভর করে।




Thursday, February 3, 2022

ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে পার্থক্য কি?

 🔰🔰 ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে পার্থক্য কি?


সব ব্লগি আসলে ওয়েবসাইট, কিন্তু ওয়েবসাইটকে ব্লগ বলা যায় না। Internet এর মাধ্যমে বিভিন্ন লিঙ্কে গিয়ে যা visit করেন সবগুলো এক একটা ওয়েবসাইট। 


ব্লগ হচ্ছে Online Diary র মতো। এখানে একজন ব্লগার বিভিন্ন বিষয়ে নিজের ইচ্ছামত লিখে থাকেন। সাধারণত একটি পেইজে বিভিন্ন Level এবং Category তে ভাগ করে ব্লগে লেখা হয়। ব্লগের লেখাগুলো একপেইজে সাজানো থাকে এবং সর্বশেষ লেখা সবার উপরে থাকে। আর Comment Box এ সবাই Comment করতে পারে।


সাধারণভাবে বলতে গেলে ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হল এর পরিবেশনায় অর্থাৎ ফরমেটে। ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে অনেক কিছুই মিল রয়েছে। কিন্তু এদের মধ্যে অনেক উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। আর সেটি হল Content তৈরি এবং Publishing এর ক্ষেত্রে।


✳️ ব্লগের Content নিয়মিত Update করা হয়। এখানে নতুন নতুন Content প্রকাশ করে।


✳️ যে কোন প্রতিষ্ঠান / ব্যক্তি / ওয়েবসাইটের একটা ব্লগ থাকতে পারে। যেটা গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। একে Informal Communication System ও বলা হয়।


✳️ ব্লগ Two Way Communication System. এখানে গ্রাহকের মতামত প্রকাশ করতে দেওয়া হয়।


✳️ ব্লগের একটি নির্দিষ্ট আকার এবং সেপ আছে। যখন ইচ্ছা তখন একে পরিবর্তন করা যায় না। অবশ্য Template পরিবর্তন করে কাজটি করতে পারে। তারপরও এটা Website এর অতটা Customizable হবে না।


সব প্রতিস্ঠানের একটা ব্লগ থাকে। যার মাধ্যমে তারা ভোক্তাদের সাথে Informally Communicate করে। Google, Microsoft বা এজাতীয় সব প্রতিস্ঠানের ব্লগ আছে। Search Engine গুলোর কাছে Blog খুব প্রাধান্য পায়। কারণ, ব্লগের Contents হয় Fresh এবং Informative। খুব সহজেই এগুলো Search Engine এর Top এ থাকে। আর ব্লগ পরিচালনার জন্য বিশেষ কোনো জ্ঞানের প্রয়োজন নেই। Computer বা Internet এ মোটামুটি দক্ষ যে কেউ ব্লগ তৈরি বা পরিচালনা করতে পারে।


📌 সাধারণত Website কোন প্রতিষ্ঠানের হয়ে থাকে।

ব্যক্তি মালিকানায় এর কম না। কিন্তু ব্লগের তুলনায় মালিকানাধীন Website অনেক কম। কারণ একজন ব্যক্তির জন্য Website এর তুলনায় Blog বেশি উপযোগী। অবশ্য কোন অভিনেতা, খেলোয়াড় এ জাতীয় বিখ্যাত কেউ হলে তার জন্য Website বেশি মানানসই।


👉 Website অনেক বেশি Versatile। সে তুলনায় Blog এতটা Customizable না।


👉 Website তৈরি এবং Maintenance করার জন্য অবশ্যই Coding Knowledge লাগবে। যা Blog এ খুব একটা প্রয়োজন নেই।


👉 Website এ Visitor দের Comment করার Option থাকে না। এতে প্রতিস্ঠান শুধু নিজের Product, Service, Information শেয়ার করে থাকে।


👉 Website এর Contents ব্লগের মত দ্রুত Update হয় না। প্রতিদিন নতুন Post ও দেওয়া হয় না। শুধু মাত্র দরকারি তথ্য গুলো Share করা হয়।





Wednesday, February 2, 2022

ওয়েবসাইট কি? ওয়েবসাইট কত প্রকার ও কি কি?

 🔷🔷ওয়েবসাইট কি? ওয়েবসাইট কত প্রকার ও কি কি? 


বর্তমানে আমাদের সবার কাছে 📱Smart phone 🖥️Computer বা 💻Laptop আছে। আর আমরা Mobile বা Computer এ বিভিন্ন কাজ করার জন্য বা অনলাইনে তথ্য খুঁজতে অনলাইনে গেম খেলা, গান শোনা, অনলাইনে ফটো এডিটিং করা ইত্যাদি ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কাজ করে থাকি Internet এর মাধ্যমে


🌐📡🛰️Internet এর মাধ্যমে এই সকল কাজ করতে অবশ্যই কোন না কোন ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া এই সকল বিভিন্ন তথ্য খোঁজার জন্য আমরা Mobile বা Computer থেকে জনপ্রিয় কিছু সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করি।


এই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো Google search এবং Yahoo search সাধারণত আমরা এই দুইটা বেশি ব্যবহার করি। এছাড়া আরও সার্চ ইঞ্জিন আছে। এই ধরনের সার্চ ইঞ্জিনগুলো এক এক ধরনের ওয়েবসাইট।


🔷ওয়েবসাইট কি? (What is website)


ওয়েবসাইট হল কোন ওয়েব সার্ভারে রাখা ওয়েবপৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টি। যা Internet সংযোগের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যায়। প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের একটি ইউনিক নাম থাকে। এছাড়া এভাবেও বলা যায়, একই ডোমেইন অধীনে একাধিক ওয়েবপেইজের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলে। ওয়েবসাইটকে সম্পর্কে সাইট বলা হয়ে থাকে।


🔷ওয়েব পেজ কি? (What is web page)


Internet তথ্য ওয়েবে কোন লেখা অ্যানিমেশন অডিও-ভিডিও স্থিরচিত্র ইত্যাদি তথ্যসমূহ রাখার জন্য যে পেইজ ব্যবহার করা হয় তাকে ওয়েবপেইজ বলে। অর্থাৎ, ওয়েবে ঢোকার পর প্রথম যে পেইজটি প্রদর্শিত হয় সেটি হল হোমপেইজ। আবার সেই পেইজে অনেকগুলো পেইজ থাকে যেমন: ওয়েবসাইট সম্পর্কে, লগইন পেইজ, যোগাযোগ ইত্যাদি এইসব পেজগুলোকে ওয়েবপেইজ বলা হয়।


🔷ওয়েবসাইট কত প্রকার ও কি কি?


গঠন ও বৈচিত্রের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:


➡️স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট (Static website)

➡️ডায়নামিক ওয়েবসাইট (Dynamic website)


🔷স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট কি?


যেসকল ওয়েবসাইটের ডাটা মানব ওয়েব পেজ প্রদর্শন করার পর পরিবর্তন করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে। এই ওয়েবসাইটটি তৈরীর জন্য স্ক্রিপটিং ভাষা ব্যবহার করা হয় না। HTML, CSS, Java Script দিয়ে সাধারণত একটি স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়।


🔷স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট এর বৈশিষ্ট্য:


➡️খুব দ্রুত লোড হয়।

➡️ডেটাবেজের সাথে সংযোগ থাকে না।

➡️Content নির্দিষ্ট থাকে।

➡️ব্যবহারিক তথ্য আপডেট করতে পারবে না।

➡️HTML, CSS, JS ইত্যাদি দিয়ে এটি ডিজাইন করা হয়ে থাকে।


🔷স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট এর সুবিধা:


➡️নিয়ন্ত্রণ সহজ এবং সহজে পরিচালনা করা যায়।

➡️খরচ কম এবং সাইট দ্রুত লোড নেয়।

➡️সহজে ওয়েব পেইজের লে-আউট পরিচালনা করা যায়।

➡️নেট স্পিড কম হলেও দ্রুততার সাথে ডাটা ডাউনলোড করা যায়।


🔷স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট এর অসুবিধা:


➡️Content আপডেট করতে প্রচুর সময় লাগে।

➡️ওয়েবসাইটের আকার বৃদ্ধির সাথে সাথে Content নিয়ন্ত্রণ করা ঝামেলা এবং কঠিন হয়ে থাকে।

➡️নতুন কোন পেইজ যুক্ত করতে হলে সেই পেইজের জন্য আলাদাভাবে কোডিং করতে হয়।

➡️ব্যবহারকারীর ইনপুট নেওয়ার কোনো ব্যবস্থা থাকে না।


🔷ডাইনামিক ওয়েবসাইট কি?


যে সকল ওয়েবসাইটের ডেটার মান ওয়েব পেইজে প্রদর্শনের পরে ও পরিবর্তন করা যায় তাকে ডায়নামিক ওয়েবসাইট বলে। ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য স্ক্রিপ্ট ভাষা যেমন: PHP, ASP, Python ব্যবহার করা হয় এবং ওয়েব পেইজটি ডিজাইনের জন্য HTML, CSS, JS ও ব্যবহার করা হয়। এর পাশাপাশি ডাটাবেজের ও (SQL / MYSQL) প্রয়োজন হয়।


🔷ডায়নামিক ওয়েবসাইট এর বৈশিষ্ট্য:


➡️পরিবর্তনশীল তথ্য এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়েব পেজ তৈরি করা।

➡️রানটাইম এর সময় পেজের Design বা Content পরিবর্তন হতে পারে।

➡️ডেটাবেজ ব্যবহৃত হয়।

➡️ব্যবহারিক তথ্য আপডেট করতে পারে।


🔷ডায়নামিক ওয়েবসাইট এর সুবিধা:


➡️অনেক বেশি তথ্যবহুল হতে পারে।

➡️তথ্য ও বিষয়বস্তু খুব দ্রুত আপডেট করা যায়।

➡️নির্ধারিত ব্যবহারকারীর জন্য নির্ধারিত পেইজ প্রদর্শন করা যায়।

➡️ব্যবহারকারীদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ এক্সেস সেট করা যায়।


🔷ডায়নামিক ওয়েবসাইট এর অসুবিধা:


➡️খরচ বেশি।

➡️নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন করা তুলনামূলক জটিল এবং কঠিন।

➡️তথ্য হ্যাক এর সম্ভাবনা থাকে।

➡️ডাটাবেজ ব্যবহার করার জন্য ডাটা লোড হতে বেশি সময় লাগে।


🔷🔷আবার অবস্থানের ওপর ভিত্তি করেও ওয়েবপেইজ দুই প্রকার:


লোকাল ওয়েব পেজ (Local webpage)

রিমোট ওয়েবপেইজ (Remote web page)


🔷লোকাল ওয়েবপেইজ কি?


স্থানীয়ভাবে ডিজাইন করা ওয়েবপেইজ গুলোকে লোকাল ওয়েবপেইজ বলা হয়। এই ওয়েবপেইজ গুলো সাধারণত সোর্স ড্রাইভ ও ডিরেক্টরি থেকে সহজে ব্যবহার করা যায়। এই ধরনের ওয়েবপেইজ ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট সংযোগের দরকার হয় না।


🔷রিমোট ওয়েবপেইজ কি?


স্থানীয় Computer ব্যতীত অন্য কোন Computer বা সার্ভারে সংরক্ষিত ওয়েবপেইজ গুলোকে রিমোট ওয়েবপেইজ বলা হয়। রিমোট ওয়েবপেইজ Download এর জন্য Internet Connection এর প্রয়োজন। এ ধরনের ওয়েবপেইজ ব্যবহারের জন্য Web Address জানার প্রয়োজন হয়। এরকম Address কে URL (Uniform Resource Locator) বলে।


🔷🔷এছাড়াও ব্যবহারের ভিত্তিতে ওয়েবসাইট এর শ্রেণীবিভাগ করা হয়।


🔖Archive site: পুরনো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সকলের ব্যবহারের জন্য রাখা হয়।


🔖E-Commerce site: পণ্য বেচাকেনা জন্য তৈরি করা হয়।


🔖News site: এসব সাইটে বিভিন্ন ধরনের News পাওয়া যায়।


🔖Blog site: বিভিন্ন ব্লগ সাইটে বিভিন্ন নিশ ভিত্তিক Content পাওয়া যায়।


🔖Download site: বিভিন্ন ধরনের File, Software ইত্যাদি Download করা যায়।


🔖Portfolio site: নিজের সম্পর্কে বিভিন্ন Information থাকে যাতে করে সাইটের Visitor যার Portfolio তার সম্পর্কে জানতে পারে।


📌এমন আরও অনেক ধরনের সাইট ইন্টারনেট দুনিয়ায় আছে।





Tuesday, February 1, 2022

ব্লগ কি? ব্লগার কি? ব্লগিং কি? ব্লগ কয় ধরনের?

 ব্লগ কি? ব্লগার কি? ব্লগিং কি? ব্লগ কয় ধরনের?


🌲ব্লগ কি?


ব্লগ হল এক ধরনের অনলাইন ব্যক্তিগত ডায়েরি💻। ব্লগ শব্দটি Weblog এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি এমন একটা ডাইরি যেখানে আপনি আপনার মন মত যা খুশি লিখতে পারবেন📝। কেবল এতটুকু খেয়াল রাখতে হবে আপনি যা লিখছেন সেটা যাতে সঠিক পুরো পরিষ্কার ভাবে লেখা হয়।


📌কারণ, আপনার Personal Diary কেউ দেখতে পায়না, কিন্তু ডাইরির মতোই এই ব্লগ যেখানে অনেক কিছু লিখবেন সেটা অনেকেই আজ না হয় কাল পড়বে।আর, আপনার লেখা Article যদি কারো ভালো না লাগে, তাহলে আপনি কখনোই ব্লগিং এ Success হতে পারবেন না।


📌ব্লগের মাধ্যমে নতুন নতুন ওয়েব পেজ তৈরি করে, তার মধ্যে নতুন নতুন Information Post করে অন্য ব্যক্তিদের সামনে উপস্থাপন বা পাবলিশ করা হয়। ব্লগের মধ্যে অনেক ধরনের Tools থাকে। কোন আর্টিকেল কে দর্শকদের সামনে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য এসব Tools ব্যবহার করা হয়।


✒️যিনি ব্লগে পোস্ট করে তাকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে Content যুক্ত করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখানে তাদের মন্তব্য করতে পারেন। এছাড়াও সম্প্রতিককালে ব্লগ ফ্রীল্যান্স সাংবাদিকতার একটা মাধ্যম হয়ে উঠেছে।


✔️১৯৯৭ এর ১৭ ডিসেম্বর "জন বার্গার" নামক এক ব্যক্তি সর্বপ্রথম "Weblog" শব্দটির উদ্ভাবন করেন। পরবর্তীতে "পিটার মেরহোলজ" তার নিজস্ব ব্লগ পিটার্ম ডট কমে কৌতুক করে weblog শব্দটিকে ভাগ করে Blog বলে সম্বোধন করেন ১৯৯৯ এর April বা March এর দিকে।


✔️তারপর থেকে ব্লগ শব্দটির ব্যবহার বাড়তে থাকে। ইভান উইলিয়ামস নামের এক ব্যক্তি ব্লগ শব্দটিকে যথাক্রমে বিশেষ্য ও ক্রিয়াপদ দুভাবেই কাজে লাগান। তিনি "ব্লগার" কথাটির উদ্ভাবন করেন।


✔️ব্লগিং এর জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে এর চাহিদা বাড়তে থাকে। এতে যোগ হয় বিভিন্ন রকম প্রযুক্তি।

শুরুটা ধীর গতির হলেও ব্লগিং দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৯৯ থেকে ব্লগিং এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায় এবং তা এখনও রয়েছে।


✔️১৯৯৮ সালের অক্টোবরে 'ব্রুস এবলসন' নামের এক ব্যক্তি "Open Diary" নামক একটি ব্লগ খোলেন এবং রাতারাতি তার ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। হাজার হাজার ব্লগার তার ব্লগের সাথে যুক্ত হয় এবং এটি সর্বপ্রথম ব্লগ কমিউনিটি যেখানে, অন্যান্য ব্লগারদের লেখায় মন্তব্য করার সুযোগ দেয়া হয়। 


✔️এছাড়া Evan Williams এবং Mag Hourihan যারা Pyra Labs এ কাজ করতো, ১৯৯৯ সালে তারা নিজস্ব ব্লগ সাইট Blogger.Com চালু করেন। যা ২০০৩ এর February তে Google কিনে নেয়।


🌲ব্লগার কি?


যে ব্যক্তি ব্লগ করেন বা ব্লগ লিখেন তাকে ব্লগার বলা হয়। শুধু ব্লগ লিখলেই একজন ব্লগার হওয়া যায় তাই কিন্তু নয়। ব্লগের লেখক অনেক সময় ভাড়া করা হয়, সে ক্ষেত্রে তিনি শুধুমাত্র একজন ব্লগ লেখক বা লেখিকা।


প্রকৃতপক্ষে ব্লগার তিনি, যিনি অন্যদের সাহায্য করার জন্য নিজস্ব একটি ব্লগ বানিয়ে, সেটিতে বিভিন্ন Content লেখা Customize করা Google এ প্রকাশ করা, Design করা, Topic নির্বাচন করা এই সমস্ত কাজ করে থাকেন।


🌲ব্লগিং কি?


ব্লগার তার নিজস্ব ব্লগে যে সমস্ত কাজ গুলি করেন সেগুলিকে ব্লগিং বলা হয়।

যেমন: কোন পোস্ট লেখা, ব্লগটি সুন্দর করে ডিজাইন করা, অন্য পোস্টের লিংক যোগ করা ইত্যাদি কাজগুলি কে একসাথে ব্লগিং বলা হয়।


ব্লগ দুই ধরনের হয়


👉ব্যক্তিগত ব্লগ।

👉প্রফেশনাল ব্লগ।


🌲ব্যক্তিগত ব্লগ: এই ধরনের ব্লগ নিজের শখ পূরণের জন্য তৈরি করা হয়। যেখানে কোন ব্যক্তি তার নিজস্ব মতামত, নিজস্ব রুটিন, নিজস্ব পছন্দ এই সমস্ত বিষয় তার ব্লগে লিখে থাকেন।

ব্যক্তিগত বা Personal Blogging কোন লক্ষ্য ছাড়া তৈরি করা হয়। এটি শুধুমাত্র কোন ব্লগার, তার সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেন। মানে, তার ব্লগটি কত বড় করতে হবে, কোন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, কেমন ব্যবহারকারীর জন্য তৈরি করতে হবে এই সব বিষয়ে ভাবনা চিন্তা থাকে না।


🌲প্রফেশনাল ব্লগ: এই ধরনের ব্লগ ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়। যার মাধ্যমে ব্লগের মালিক তার সংসার চালানোর পাশাপাশি ব্লগের সাহায্যে তার সমস্ত শখ পূরণ করতে পারে। প্রফেশনাল ব্লগিং কে কোন ব্লগার, ব্যবসার মতো মনে করে। যেখানে এটি তার নিত্যদিনের কাজ হিসাবে পরিচয় পায়। এই ধরনের ব্লগ নির্দিষ্ট লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি করা হয়।





Monday, January 31, 2022

ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তা কি এবং কেন প্রয়োজন?

 ♦️🔷ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তা কি এবং কেন প্রয়োজন?


বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের💻 যুগ। এখন মানুষ ঘরে বসে Online এ কেনাকাটা থেকে শুরু করে, Online এ ইনকাম করা সবটাই Digital Marketing এর ওপর নির্ভরশীল।


বর্তমান 🕓সময়ে Digital Marketing একটি অপরিহার্য অংশ। কারণ, মানুষ এখন যে কোন পণ্য ক্রয় করার আগে ইন্টারনেটে ঐ পণ্য সম্পর্কে সার্চ করে ভালোভাবে জেনে বুঝে তারপর ক্রয় করে। তাছাড়া মানুষ এখন Market এ ঘুরে ঘুরে না কিনে, Online থেকেই বেশিরভাগ কেনাকাটা করে থাকে।


তাই একজন সফল ব্যবসায়ী হতে হলে আপনাকে Digital Marketing এর মাধ্যমে নিজের ব্যবসাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।


✨বর্তমান যুগে Digital Marketing এর প্রয়োজনীয়তা


বিশ্বে মোট প্রায় ২ বিলিয়ন মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে। আর এই সংখ্যাটি নিয়মিতভাবে বেড়ে চলেছে। মানুষ যত বেশি Internet ব্যবহার করবে তত বেশি মানুষের সামনে আপনি আপনার Product এর মার্কেটিং করতে পারবেন।


আর আধুনিক বিশ্বে🌎 নিজেকে ও নিজের ব্যবসার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে Digital Marketing শেখার কোন বিকল্প নেই।


বর্তমান বিশ্বে মোট প্রায় ৫.১১ বিলিয়ন মানুষ মোবাইল📱 ফোন ব্যবহার করে। আর এই সংখ্যা খুবই দ্রুত গতিতে বেড়ে চলেছে। অনেক মানুষ আছে যারা একসাথে কয়েকটি মোবাইল ব্যবহার করে। তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য।


📌আর এই মোবাইল ফোন হচ্ছে ক্রেতার Information Collection এর অন্যতম মাধ্যম।। কারণ, প্রায় সকল মোবাইল ব্যবহারকারী Internet ব্যবহার করে। তাই এই ব্যবহারকারীর সংখ্যা যত বাড়বে Digital Marketing এর প্রয়োজনীয়তা ও বাড়বে।


আপনি জেনে অবাক হবেন, একটা স্ট্যাটিসটিক্সের মাধ্যমে। 📇User Serve এ রিপোর্ট উল্লেখ করেছে, প্রায় ৮৪% বিক্রেতা, মার্কেটার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে ক্রেতার তথ্য সংগ্রহ করার জন্য।


এছাড়া আরো একটি📇 Serve এ Result দেখিয়েছে, সারা বিশ্বে ৫৫% মানুষ যে কোন পণ্য ক্রয়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল।


📍মানে হচ্ছে, তারা Social Media থেকে তাদের পছন্দের পণ্য সম্পর্কে Information এবং Review জানতে পারে। আর ক্রেতা যার Presentation ও Product পছন্দ করবে তার থেকে Online এর মাধ্যমেই ক্রয় করে ফেলে।


✅৪৩% ই - কমার্স ক্রেতা Google  এ Search করে তাদের পছন্দের ই - কমার্স Website এ আসে। বিশ্বে প্রায় ৫১% ক্রেতা তাদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা Online থেকে Mobile এর মাধ্যমে করে থাকে। এই সংখ্যাটি ও দিন দিন বেড়েই চলেছে।


✅৭০% ক্রেতা যেকোনো Product কেনার আগে সেই Product সম্পর্কে Internet এ Search করে যাচাই-বাছাই করেন। আর Product পছন্দ হলে ঘরে বসেই Online এ Order করে ফেলেন।


✅৮২% ক্রেতা ৫ মিনিটের মধ্যেই বিক্রেতার সাথে তাদের Live Chat এর মাধ্যমে কথা বলতে চান।


আপনি হয়তো এখন কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন, ক্রেতারা কিভাবে Online এ তাদের কেনাকাটা সম্পন্ন করেন।

তাই আপনি যদি Digital Market এ টিকে থাকতে চান, তাহলে আপনার এখনি Digital Marketing নিয়ে ভাবা উচিত।


📌কারণ আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী কিন্তু বসে নেই, সে তার Business কে Digital Marketing এর মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছে।


যেমন: Coca - Cola, Unilever, Nestle এর মতো বড় বড় Company গুলো ও কিন্তু বেশ তোড় জোড়ের সাথে বর্তমানে Digital World 🌎 এ নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে।


তাই বর্তমানে নিজের ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখতে হলে Digital Marketing এর গুরুত্ব ও ভূমিকা অপরিসীম।





Saturday, January 29, 2022

কনটেন্ট কি?

 🌟কনটেন্ট কি?


কনটেন্ট হল কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের তথ্য সহ তুলে ধরার মাধ্যম বা কনটেন্ট হল কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের তথ্য উপাত্ত কে বোধগম্য করার নমুনা।


সেটা হতে পারে কোনও টেক্সট কনটেন্ট, ইমেজ কনটেন্ট, ভিডিও কনটেন্ট, পিপিটি কনটেন্ট, ডক ফাইল ইত্যাদি অনেক ধরনের কনটেন্ট আছে।

তবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য ভিডিও কনটেন্ট, ইমেজ কনটেন্ট বেশি জনপ্রিয়। তাই আমাদের উচিত এ কনটেন্ট গুলো কে কিভাবে আকর্ষণীয় করে তুলবো সেটা জানা।


👉ভাল কনটেন্ট কি?


ভাল কনটেন্ট বলতে বুঝায় আপনার কনটেন্ট অরিজিনাল, কার্যক্ষম এবং আপনার কোন প্রশ্নের উত্তর দেয় এমন। একটি ভাল কনটেন্ট অবশ্যই হতে হবে সঠিক উৎস যুক্ত ইউনিক সংক্ষিপ্ত ব্যাকরণগত ভাবে সঠিক এবং সঠিকভাবে সাজানো।


❤️Happy Freelancing Life ❤️



মোটিভেশনাল গল্প

একটি শহরে এক ধনী ব্যক্তি ছিল, ব্যবসা বাণিজ্যে অর্থ সম্মান কোনো দিক থেকেই তার কোনো কমতি ছিলো না, সকল প্রকার সুখ সম্পত্তি ছিল তার নিত্য নৈমিত্...