Tuesday, December 27, 2022

Hal Elrod (হ্যাল এলরড) এর জীবনী "The Miracle Morning"

 হ্যাল এলরড। তিনি ক্যামেরিনো, ক্যালিফর্নিয়ায় ১৯৭৯ সালে ৩০ মে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন আমেরিকান লেখক, স্পিকার এবং সফল প্রশিক্ষক। তিনি 'The Miracle Morning' সিরিজের লেখক। হ্যাল এলরডের বয়স যখন ২০ বছর তখন তিনি একটি ভয়ংকর অটোমোবাইল দূর্ঘটনায় আহত হন। ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরের ৩ তারিখ একটি গাড়ি হ্যাল এলরডের গাড়ি কে সজরে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনাটিতে তার শরীরের এগারো টি হাড় ভেঙে যায় এবং তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। প্রথমে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ছয় মিনিট পর পুনরায় তার হার্টবিট শুরু হয়। তিনি ছয় দিন পর্যন্ত কোমায় ছিলেন। সপ্তম দিন তার জ্ঞান ফিরে এবং ডাক্তার তাকে জানাই তিনি কখনো চলাফেরা করতে পারবেনা। কিন্তু হ্যাল এলরড জীবনের কাছে হার মানেনি। এই ঘটনার কয়েক বছর পর হ্যাল এলরড একজন পেশাদার বক্তা, জনপ্রিয় লেখক এবং আলট্রা ম্যারাথন দৌড়বিধ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। অনেকটা মৃত্যুর পর তিনি আবার বেঁচে উঠেন এবং ডাক্তারের সকল অনুমানকে মিথ্যে প্রমাণিত করে আজ তিনি এ অবস্থানে পৌঁছান। 


হ্যাল এলরড বলেন এর জন্য সবচাইতে প্রথমে আপনাকে ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হবে।


কোমা থেকে ওঠার পর তিনি ছয়টি প্রাত্যহিক অভ্যাস করেছিলেন যা তার জীবনকে বদলে দিয়েছিল। যেগুলো তিনি প্রতিদিন অনুশীলন করতেন। এইসব তিনি শিখেছিলেন বিভিন্ন বই পড়ে এবং অন্য সব সফল মানুষদের জীবনী থেকে। হ্যাল এলরড তার সর্বাধিক বিক্রিত বই 'The Miracle Morning' এ তার এই সব অভ্যাসের কথা বর্ণনা করেন যা তিনি প্রতিদিন অনুশীলন করতেন।


এই অভ্যাসগুলো অনুসরণ করে আপনিও একজন সফল মানুষে পরিণত হতে পারেন।


এই ছয়টি অভ্যাস খুবই কার্যকরী ছিল তাই হ্যাল এই অভ্যাসগুলো প্রতিদিন অনুশীলন করতেন। যখন তিনি এগুলো শুরু করেছিলেন তখন তার ১৫ হাজার ডলার ধার ছিল, নিজের বাড়িটিও বিক্রি হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তিনি একদম স্বাস্থ্যহীন এবং বিষন্ন ছিলেন। এই ছয়টি সকালের অভ্যাস নিয়মিত শুরু করার পর দুই মাসের মধ্যে তার উপার্জন দ্বিগুণ হয়ে যায়। নিজের বাড়িটি বিক্রির হাত থেকে বাঁচান। কিছুদিন পর সুস্থ হয়ে আলট্রা মেরাথন দৌড়বিদ হন এবং একজন সুখী মানুষও হন। সেই ব্যক্তিটি যাকে ডাক্তার বলেছিল কখনো চলতে পারবে না। এসব এত তাড়াতাড়ি হয়েছিল যে হ্যাল এলরড নিজেই অবাক হয়ে যান। তাই তিনি বইটির নাম রাখলেন 'The Miracle Morning' যার অর্থ দাঁড়ায় 'অলৌকিক সকাল'। কারণ তার কাছে এগুলো অলৌকিকই মনে হচ্ছিল।


হ্যাল এলরড পাঠকদের প্রতিদিনের স্বাভাবিকের চেয়ে এক ঘণ্টা আগে উঠতে উৎসাহিত করেন।


হ্যাল এলরড তার 'The Miracle Morning' বই এ বলেছেন, তিনি গবেষণা করে দেখেছেন সফল লোকেরা দৈনিক ছয়টি কাজের একটি কাজ অন্তত করেন। এগুলোকে তিনি নাম দিয়েছেন:

S.A.V.E.R.S

অর্থাৎ -


এস (S)- Silence বা মেডিটেশন

মানে প্রার্থনা, ধ্যান যা মস্তিষ্ককে শিথিল করে দিনের ভালো একটা শুরু দেয় এবং মস্তিষ্ককে সর্বোচ্চ কর্মক্ষম করে দেয়। প্রথমে লেখকের মনে হতো মেডিটেশন বা প্রার্থনা একটি ধর্মীয় ব্যাপার মাত্র যার সাথে সফলতার কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি গবেষণা করে এবং সফল মানুষদের জীবনী পড়ে জানতে পারেন এটি এমন একটি হাতিয়ার যা সফল মানুষদের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।


এ (A)- Affirmation বা নিশ্চিতকরণ

এই কাজটি আপনি আপনার জীবনের লক্ষ্য লিখেও করতে পারেন। তিনটি কথা আপনি লিখতে পারেন:

১. আপনি আপনাকে কেমন দেখতে চান?

২. আপনি এই পরিবর্তনগুলো কেন চান?

৩. এই কাজগুলো করার জন্য আপনি কি কি অঙ্গীকার করেছেন?

এই কথাগুলো একটি ডাইরিতে লিখুন এবং প্রতিদিন সকালে পড়ুন।


ভি (V)- Visualisation বা নিজের স্বপ্নগুলো ভাবা

তৃতীয়টি হচ্ছে নিজের কল্পনা শক্তির ব্যবহার। নিজের সাথে কথোপকথন এবং কল্পনা শক্তির ব্যবহার এই দুইটি যেন জমজ ভাই বোনের মত। আপনার মনে হতে পারে এই দুটি একই বিষয়। কিন্তু আসলে দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। কথোপকথন সাহায্য করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গুলোকে মনে রাখতে এবং শেষ ইচ্ছা গুলো কেমন হতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা দেয়। ধরুন কল্পনা হচ্ছে একটি দৃশ্য এবং কথোপকথন হচ্ছে তার ধ্বনি বা আওয়াজ।


ই (E)- Exercise বা ব্যায়াম করা

চতুর্থ অভ্যাস হচ্ছে ব্যায়াম বা শরীরচর্চা। আমরা সবাই জানি শরীরচর্চা আমাদের শরীরের জন্য খুবই জরুরী। কিন্তু আমরা প্রায় সব মানুষই এটিকে এড়িয়ে চলি। যে কোন সাধারণ ব্যায়ামও হতে পারে। ২০ থেকে ২১ দিন একটু কষ্ট করে সকাল সকাল উঠলে এটি অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে। সকালে ব্যায়াম করার অনেক বৈজ্ঞানিক উপকারিতা রয়েছে। ব্যায়াম করার ফলে মস্তিষ্কে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন যায় এবং এটি মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন রস নিঃসরণ করে।


আর ( R )- Reading বা পড়া

পঞ্চম অভ্যাস কি হচ্ছে পড়াশুনা করা। যেকোনো ভালো বইয়ের একটা চ্যাপ্টার পড়া। ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য পড়াশুনা সবচেয়ে ভালো একটি উপায়। প্রতিদিন সকালে অন্তত দশ পৃষ্ঠা বই পড়ার চেষ্টা করা। এই হিসাবে বছর শেষে ৩৬৫০ পৃষ্ঠা পড়া হবে যেটি প্রায় ১৭-১৮ টি বইয়ের সমান। সত্যিই দেখুন একটি ছোট প্রতিজ্ঞা আপনার জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারে।


এস (S)- Scribing বা লিখা

ষষ্ঠ এবং শেষ অভ্যাসটি হলো লেখা। নিজের স্বপ্নগুলো বা দৈনিক কি কাজ করতে হবে তা লিখে রাখা। প্রতিদিন সকালে কয়েক মিনিট ব্যয় করতে হবে চিন্তা এবং আবেগগুলো লিখতে। এটি থেকে প্রতিদিনই নতুন কিছু শিখবেন। ইংরেজিতে এটি কে বলে 'morning page' বাংলায় বলা যায় 'ভোরের পত্র'। হ্যাল এলরড এই পত্রটিকে দুই ভাগে লিখতেন। প্রথম ভাগে 'আজকের শিক্ষা' অর্থাৎ এখন পর্যন্ত কি কি শিখেছি আর কি কি পেয়েছি এবং দ্বিতীয় ভাগে লিখতেন 'নতুন পরিকল্পনা' অর্থাৎ আরো নতুন কি শিখতে হবে বা আরো কি করতে হবে এই প্রক্রিয়াটি হ্যাল কে লক্ষ্যে অটুট থাকতে সাহায্য করেছিল।


এই প্রাত্যহিক কার্যকলাপ অনুসরণ করার জন্য সর্বপ্রথম যে কাজটি করতে হবে তা হচ্ছে ভরে ঘুম থেকে উঠা। আর এইসব নিত্যকর্ম সকাল আটটার মধ্যে শেষ করতে হবে। যেমন "The Miracle Morning" এই বইটির বিকল্প শিরোনাম হলো, সকাল ৮:০০ টার আগে ৬ টি অভ্যাস যা আপনার জীবনকে পরিবর্তন করবে।


Summary (সারসংক্ষেপ)

আপনি কি প্রস্তুত জীবনকে পরের ধাপে উন্নীত করার জন্য? আপনার ব্যক্তিগত বা পেশাগত জীবনের পরবর্তী ধাপ কোনটা? জীবনের ঠিক কোন পরিবর্তন আপনি সেই ধাপে উন্নীত হবেন? একদিন একদিন করে শুরু করুন আপনার অতীত যাই হোক না কেন আপনি আপনার ভবিষ্যত পরিবর্তন আনতে পারবেন বর্তমানকে পরিবর্তন করার মাধ্যমে। বর্তমান আপনার অতীতের কর্মফলের প্রতিচ্ছবি। ঠিক তেমনি আপনার ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করছে আপনি কি হতে চান সে ব্যাপারে এই মুহূর্তের সিদ্ধান্তের ওপর। এই মুহূর্তটা আপনার পরবর্তী দিনের সুখ, স্বাস্থ্য, সম্পদ, সাফল্য যা আপনার প্রাপ্য তা থেকে নিজেকে বঞ্চিত না করে অপেক্ষা না করে শুরু করুন। আগামীকালই হোক সেই স্মরণীয় দিন যেদিন আপনি এত দিনের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য লাভের যাত্রা শুরু করবেন।





Thursday, November 24, 2022

বেকারত্ব নিরশনে ফ্রিল্যান্সিং

 ♻️ বেকারত্ব নিরশনে ফ্রিল্যান্সিং:


বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার বড় একটা অংশ শিক্ষিত বেকার। শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা করলে দেখা যায় কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৫ থেকে ৬ লাখ আছেন। তারা স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়েও পছন্দ মত কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে না। বিপুলসংখ্যক এই কর্মক্ষম জনশক্তিকে সম্ভাবনাময় শ্রমশক্তি বলা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে উপযুক্ত কাজের অভাবে অপচয় হচ্ছে সম্ভাবনাময় জনশক্তি। বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। এই সময় একজন শিক্ষিত বেকার সহজে স্বাবলম্বী হতে পারেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে।


ফ্রিল্যান্সিং হলো মুক্ত পেশা। ঘরে বসেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষের বা প্রতিষ্ঠানের কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায়। কাজ করার জন্য কোন অফিসের প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন শুধু ইন্টারনেট সংযোগ। কাজের কোন নির্ধারিত সময় নেই। নিজের সময় ও সুযোগ মতো কাজ করা যায়। তাই বর্তমানে সারা বিশ্বের তরুণ-তরুণীদের কাছে ফ্রিল্যান্সিং বহুলভাবে জনপ্রিয়। তাই প্রতিনিয়ত এর ক্ষেত্রও প্রসারিত হচ্ছে। বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি এখন তাদের কাজগুলো অফিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ছড়িয়ে দিচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে। এতে কোম্পানিগুলো কাজের জন্য দক্ষ কর্মী পাচ্ছে এবং কর্মীরা অন্য দেশ থেকে রেমিটেন্স আয়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারছে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Upwork, Fiverr, Freelancer.com, peopleperhour, 99designs, guru.com, ইত্যাদি। এসব ওয়েবসাইটে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, এসইও, কন্টেন্ট রাইটিং, ডাটা এন্ট্রি, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি কাজ করে যে কোন চাকরির থেকে বেশি অর্থ উপার্জন করার সুযোগ রয়েছে।


'টাইম ইজ মানি' ফ্রিল্যান্সিং এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। যারা পেশাদার ফ্রিল্যান্সার, তাদের সময়ের প্রতি গুরুত্ব বেশি। ফ্রিল্যান্সিং কর্মক্ষেত্রে বেশিরভাগ কাজই করা হয় বহির্বিশ্বের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির সঙ্গে, যার কারণে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। ভালো ভালো কাজের মাধ্যমে অনলাইন জগতে সুনাম অর্জন করা যায়। সর্বোপরি ফ্রিল্যান্সিং টাকা আয় করার জন্য একটি উৎকৃষ্ট পন্থা।




Tuesday, October 25, 2022

উপদেশ মূলক গল্প (গাধা এবং কৃষকের গল্প)

 ***উপদেশ মূলক ছোট গল্প***

একদিন এক কৃষকের গাধা গভীর কুয়ার 🕳️ মধ্যে পড়ে গেল। 🐴গাধাটা করুন সুরে কেঁদে কৃষকের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালাতে লাগলো। 🤔কৃষক ভাবলেন যেহেতু গাধাটা বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছে, কাজেই একে উদ্ধারের ঝামেলায় না গিয়ে মাটি ফেলে কুয়ার মধ্যেই কবর দিয়ে ফেললে ঝামেলা মিটে যায়। কাজেই কৃষক শাবল দিয়ে গাধার উপর মাটি ফেলতে লাগলো। 😭 ঘটনা আঁচ করতে পেরে প্রথমে গাধা চিৎকার করে গলা ফাটিয়ে কাঁদতে লাগলো। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সব শান্ত হয়ে গেল। 🙄কৃষক এই নীরবতার কারণ উদঘাটন করতে গিয়ে কুয়ার ভিতর উঁকি দিয়ে অবাক হয়ে গেল। প্রতিবার যেই গাধাটার উপর মাটি ফেলা হয়েছে, সে তা পিঠ ঝাড়া দিয়ে ফেলে দিয়ে সেই মাটিকে ধাপ বানিয়ে এক ধাপ এক ধাপ করে বেশ খানিকটা উপরে উঠে এসেছে। এটা দেখে কৃষক আরো মাটি ফেললো এবং পরিশেষে গাধাটা কুয়া থেকে বের হয়ে আসলো।💪
🗣️উপদেশ: জীবন আপনার উপর শাবল ভর্তি মাটি ফেলবে এটাই স্বাভাবিক।👍
আপনার কাজ হচ্ছে সেই চাপা দেয়ার মাটিকেই কাজে লাগিয়ে উপরে উঠে আসা। প্রতিটি সমস্যায় আসলে সমাধানের একটি করে ধাপ। যদি আপনি তা কাজে লাগানোর মত ইতিবাচক হয়ে থাকেন, যে কোন সুগভীর কুয়া থেকেই মুক্তি লাভ সম্ভব। যদি না আপনি হাল ছেড়ে দেন।😊⛅



Wednesday, August 17, 2022

Fiverr কি? এবং Fiverr এ কি কি কাজ পাওয়া যায়?

 Fiverr কি? এবং Fiverr এ কি কি কাজ পাওয়া যায়?


ফাইভার কি? (What is Fiverr)


Fiverr হলো এমন একটি online marketplace যেখান থেকে বিভিন্ন রকমের freelance service প্রদান করা হয়। আবার fiverr কে website ও বলা যায়। যেখান থেকে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের বিভিন্ন ধরনের কাজ বা ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারে। এছাড়া একজন customer বিভিন্ন রকমের কাজ করানোর জন্য fiverr platform করতে পারে। এক কথায় এখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ বেচা-কেনা করা হয়।


অর্থাৎ, Fiverr হলো এমন একটি online marketplace, এখানে একজন ব্যক্তি তার knowledge, experience এবং skill এর মাধ্যমে অনলাইনে কাজ খুঁজে পেতে পারে। এবং fiverr এর মাধ্যমে পাওয়া কাজ নিজের ঘরে বসেই করে তার বিনিময়ে টাকা আয় করা যায়।


এক কথায় বললে, fiverr হলো এমন একটি online marketplace যেখানে বিভিন্ন রকমের freelance service প্রদান করা হয়।


এখানে যেহেতু বিভিন্ন service বা work বেচা-কেনা করা হয় তাই, fiverr marketplace ব্যবহার করার জন্য আপনাকে হয়তো freelancer হতে হবে গ্রাহকদের দেওয়া বিভিন্ন কাজগুলো করে টাকা আয় করবেন আর না হয় consumer হতে হবে নিজের প্রয়োজনীয় কাজগুলো করানোর উদ্দেশ্যে এখানে আসবেন।


এই ধরনের online marketplace গুলোতে, programing & development, design & art, web designing, writing, sales & marketing, business, video editing, logo design ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের কাজগুলো বেচা-কেনা করা হয়।


এখন নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন fiverr marketplace কি


এছাড়া ইন্টারনেটে fiverr marketplace এর মতো আরো অনেক online marketplace আছে। আর সবগুলো marketplace fiverr এর মতো একই রকম কাজ করে। যেমন:-

  1. Freelancer.com

  2. Upwork.com

  3. Guru.com

এছাড়াও আরো অনেক marketplace রয়েছে। যেখানে Fiverr এর নিয়মে কাজ করা হয়।


Fiverr এ কি কি কাজ পাওয়া যায়?


Fiverr এ কি কি কাজ পাওয়া যায় তার উওর দেওয়া অনেক কঠিন। কারণ এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসে করানোর জন্য। আবার হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সার আসে কাজ করে দেওয়ার জন্য। Fiverr এ আপনি যে কোন কাজ করতে পারবেন যদি সেই বিষয় বা কাজে দক্ষ হন। Skill ছাড়া fiverr এ বেশিদিন টিকে থাকতে পারবেন না। কারণ প্রতিদিন হাজার হাজার স্কিলেবল ফ্রিল্যান্সার fiverr এ আসছে, তাই আগে একটি বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। তবে fiverr এ যে কাজগুলো বেশি পাওয়া যায় সেগুলো হলো:


  • Logo Design

  • Web Design

  • Content Writing

  • Video Editing

  • Digital Marketing

  • SEO

  • WordPress Website Optimization

  • Graphic Design

  • Website Creation

  • Apps Development etc.


এসকল কাজ ছাড়াও আরো নানা ধরনের কাজ fiverr marketplace এ পাওয়া যায় যেগুলো একটু রিসার্চ করলেই খুঁজে পাবেন।

যদি আপনার main category তে graphic design রাখেন তাহলে এই graphic design এর আন্ডারে অনেক sub category রয়েছে, যেমন: logo design, background remove, clipping path ইত্যাদি। প্রথমে একটি সাব ক্যাটাগরি শিখে পরে মেন্ ক্যাটাগরির দিকে আগাতে পারেন।


আজকে ফাইভার সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত তথ্য জেনে নিলাম। পরবর্তীতে ফাইভার সম্পর্কে আরো বিষয় জানবো।




Thursday, July 7, 2022

Keyword কি? Keyword কত প্রকার? Keyword Research এর গুরুত্ব।

 🔑 কিওয়ার্ড কি?


কিওয়ার্ড হলো এমন একটি শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা একটি আর্টিকেল বা একটি ওয়েব পেজের মূল বিষয়বস্তু কে নির্দেশ করে। অর্থাৎ কিওয়ার্ড হচেছ সেই সকল শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা ব্যবহার করে একজন ব্যক্তি গুগল বা অন্য যেকোন সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে তার কাঙ্খিত পণ্য বা সেবা অনুসন্ধান করে থাকে।  


যেমন ধরুন, আপনি কেক বানাবেন। কিন্তু কিভাবে কেক বানাতে হয় আপনি জানেন না। তাহলে কিভাবে কেক বানাবেন তা জানতে হলে আপনাকে এই বিষয়ে কোন একটি আর্টিকেল পড়তে হবে বা ভিডিও দেখতে হবে। যার জন্য আপনাকে গুগল বা অন্য যেযেকোন সার্চ অপশনে এ বিষয়ে সার্চ করতে হবে।  


এখন আপনি গুগলে গিয়ে “How to make a cake?” লিখে সার্চ করলেন। অতঃপর কেক কিভাবে বানাতে হয় সেই সম্পর্কে গুগল আপনাকে কিছু ওয়েবসাইটের আর্টিকেল এবং ভিডিও show করবে আর আপনি আপনার কাঙ্খিত ফলাফল পেয়ে গেলেন। অর্থাৎ এখানে “How to make a cake?” হল একটি কিওয়ার্ড। আবার শুধু cake লিখে সার্চ করতে পারেন। এক্ষেত্রে শুধু “cake” একটি কিওয়ার্ড। সহজ কথায়, keyword বলতে বোঝায় আমরা সার্চ ইঞ্জিনে যা লিখে সার্চ করি। 


Keyword হলো কিছু শব্দের সমষ্টি যা দিয়ে google, youtube বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনের search bar এ কিছু সার্চ করলে আপনার কাঙ্খিত search result টি আপনার সামনে চলে আসবে।   


🔑🏷️কিওয়ার্ড কত প্রকার?


বিভিন্ন বিষয়বস্তুর উপর ভিওি করে keyword এর প্রকারভেদ হয়ে থাকে। keyword মূলত দুই প্রকার:


  1. Long-tail keyword

  2. Short-tail keyword বা Head terms keyword


Long-tail keyword এবং Short-tail keyword কি এই সম্পর্কে বুঝতে উপরের উদাহরণটি দেওয়া যেতে পারে।


আপনি যদি google বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে “How to make a cake”  লিখে সার্চ করেন সেটি হচেছ Long-tail keyword। আর যদি শুধু “Cake” লিখে সার্চ করেন সেটি “Short-tail বা Head terms keyword”।



🛠️🔑কিওয়ার্ড রিসার্চের গুরুত্ব:


সঠিক keyword বিহীন আর্টিকেল - চালকবিহীন নৌকার মতো।

একটি ব্লগ বা আর্টিকেলের জন্য সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করার প্রক্রিয়াই হলো কিওয়ার্ড রিসার্চ। কিওয়ার্ড কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা জানতে হলে আগে জানতে হবে একটি ব্লগ বা আর্টিকেল কিভাবে রেঙ্ক করে? এবং একটি আর্টিকেল কিভাবে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম সারির ফলাফল গুলোর মধ্যে আসে?


লেখক এবং পাঠক উভয়ের ক্ষেত্রেই একটি ব্লগ বা আর্টিকেল শুরু হচ্ছে keyword দিয়ে। একজন লেখক সর্বপ্রথম কিওয়ার্ড নির্বাচন করার মাধ্যমে লেখার বিষয়বস্তু তৈরি করে, আর একজন পাঠক সেই কিওয়ার্ড দিয়েই গুগলে তার কাঙ্খিত আর্টিকেল সার্চ করে।


অর্থাৎ লেখক এবং পাঠক দুই দিক থেকেই keyword দিয়েই শুরুটা হচ্ছে।


একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটের মূল সম্পদ হচ্ছে ট্রাফিক বা ভিজিটর। আর এই ট্রাফিক বা ভিজিটর নিয়ে আসার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড রিসার্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে keyword research এর গুরুত্ব অপরিসীম।   



 

Tuesday, June 21, 2022

আত্মকর্মসংস্থান কি? এবং এর গুরুত্ব কি?

 আত্মকর্মসংস্থান কি? এবং এর গুরুত্ব কি?


💪 আত্মকর্মসংস্থান হল ব্যক্তি নিজের দক্ষতা ও গুণাবলী দিয়ে যে কাজ করে থাকে সেটাই আত্মকর্মসংস্থান। একজন ব্যক্তির জন্য আত্মকর্মসংস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা, একজন ব্যক্তির স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য কর্মসংস্থান ধাপটি প্রয়োজন।


✅মানুষ নিজের এবং অন্যের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারলেই বেকারত্ব দূর নিরসন সম্ভব। বেকারত্ব নিরসনে আত্মকর্মসংস্থান এর ভূমিকা আলোচনা করতে গেলে আত্মকর্মসংস্থানের ধারণা, আত্মকর্মসংস্থানের উপযুক্ত ও লাভজনক ক্ষেত্রগুলো, আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধকরণের উপায় এবং আত্মকর্মসংস্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে হবে।


আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে ব্যক্তির নিজের যেমন কর্মসংস্থান হয়, তেমনি অনেক নতুন আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। সীমিত চাকরির বাজারে সকলের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ হয় না। যারা স্বাধীনভাবে কিছু করতে চায় তারা নিজস্ব মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে আসেন এবং স্বাবলম্বী হন। তাই আত্ম-কর্মসংস্থানের গুরুত্ব দেশের অর্থনীতিতে অপরিসীম।


আত্মকর্মসংস্থান এর গুরুত্ব:


 👉আত্মকর্মসংস্থানের প্রধান উৎস সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে শ্রমজীবী ও চাকরিজীবী লোকের সংখ্যা বেড়েছে। কর্মসংস্থানের চাহিদা যে হারে বৃদ্ধি পায় সে হারে কর্মসংস্থান বাড়ে না।


👉অন্যান্য পেশায় আয়ের সম্ভাবনা সীমিত। কিন্তু আত্মকর্মসংস্থানের থেকে প্রথমে আয় কম হলেও ধীরে ধীরে আয় বাড়তে থাকে।


👉আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।


👉আত্মকর্মসংস্থানের মানসিকতা যুবসমাজকে দেশপ্রেম ও স্বেচ্ছামূলক কাজে উৎসাহিত করে।


👉আত্মকর্মসংস্থান এর জন্য বয়স কোনো সমস্যা নয় এর মাধ্যমে যে কোনো বয়সের মানুষ তার দক্ষতা অনুযায়ী অর্থ উপার্জন করতে পারে।


👉আত্মকর্মসংস্থান এর সাথে যুক্ত থাকলে তরুণরা কোন সমাজ বিরোধী কাজে লিপ্ত হয় না।


👉আত্মকর্মসংস্থান এর মূল এবং বড় মূলধন হলো নিজের দক্ষতা।


👉আত্মকর্মসংস্থান একটি স্বাধীন পেশা তাই এখানে নিজের বাড়িতে কাজ করা যায় আলাদা খরচ করতে হয় না।


📌অতএব, বলা যায় বর্তমান দেশে আত্মকর্মসংস্থানের গুরুত্ব অপরিহার্য।




Wednesday, May 25, 2022

Facebook Ads Campaign কি?

 Facebook Ads Campaign কি?


Facebook Ads Campaign হচ্ছে অর্থের বিনিময়ে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন প্রচার করা। Facebook ads campaign ফেসবুকের একটি পেইড ভার্সন। এখানে বিজ্ঞাপন দিতে হলে ডলার বা টাকা ব্যয় করতে হয়। Facebook ads campaign এ বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হলে আপনার পেপাল পাইনিয়র কার্ড বা মাস্টার কার্ড থাকতে হবে। এক কথায় online এ যার মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের ব্যয় নির্বাহ করতে পারবেন এমন কার্ড থাকতে হবে। অনলাইনে ব্যবসা বা পণ্যের প্রচার করতে হলে বিজ্ঞাপন দিতে হয়। আর এই বিজ্ঞাপন দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে facebook ads campaign। Facebook ads campaign এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস বা পণ্যের তথ্য লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। তাই facebook ads campaign সবার কাছে একটি জনপ্রিয়মাধ্যম। 


Online business পরিচালনা করতে চাইলে Facebook ads campaign করা উচিৎ। ব্যবসার awareness বাড়াতে চাইলে ads campaign করতে হবে। আপনি যদি একজন উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন এবং আপনার প্রোডাক্টের সেল জেনারেট করতে চান তাহলে Facebook ads campaign করতে হবে। Online business এর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ফেসবুক। এই ফেসবুকের মাধ্যমে লাখ লাখ জনগণের কাছে আপনার service বা product পৌঁছাতে পারে। যদি website থাকে তাহলে website এ ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে হলে Facebook ads camping করতে হবে। মোটকথা Facebook ads campaign এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট সেল জেনারেট করতে পারবেন, website এ ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে পারবেন, পেইজের লাইক বৃদ্ধি করতে পারবেন, ভিডিওতে view বাড়াতে পারবেন। এছাড়াও awareness, consideration ও conversation এই তিন ক্যাটাগরিতে প্রায় দশ রকমের কাজে Facebook ads campaign করে অসংখ্য ভিজিটরের কাছে আপনার সার্ভিস বা সেবা পৌঁছে দিতে পারবেন।

মোটিভেশনাল গল্প

একটি শহরে এক ধনী ব্যক্তি ছিল, ব্যবসা বাণিজ্যে অর্থ সম্মান কোনো দিক থেকেই তার কোনো কমতি ছিলো না, সকল প্রকার সুখ সম্পত্তি ছিল তার নিত্য নৈমিত্...